Thursday, 9 September 2010

just for save 06

দোকানের এডভান্স দেয়ার পর, যখন দেখলাম অপূর্ব তার একজন সহকারি খুজছে, আমি আশান্বিত হলাম, হয়তো আমার হয়ে যাবে। কিন্তু আমি সেভাবে জোর দেইনি, কারন সামনে একটা নতুন দোকান দিচ্ছিলাম। এডভান্স দেয়া হয়েছে অলরেডি। কিন্তু একটা বিষয়  মনে হতো, ইস, কেন যে দোকানের এডভান্স দিতে গেলাম। না দিলে আমি এই দোকানের ঝামেলায় জড়াতাম না। হয়তো অপূর্ব এর সাথে একটু আন্তরিক চেষ্টা করে কাজটা জুটিয়ে নিতে পারতাম।

পরে যখন দোকান দিলাম, প্রথম কয়েকদিন অবস্থা ভালো ছিল না। তখন বার বার মনে হতো, ইস কেন যে এই দোকান ডিলাম। তখন আমি কল্পনায় অপূর্ব এর সাথা কাজ করলে কী সুবিধা পেতাম, বা কাজ কীভাবে করতাম সে সব ভাবতাম। জাস্ট মন কে একটু ছেড়ে দিতাম আর আফসুস করতাম। যে টাকা দিয়ে আমি দোকান করলাম, সে টাকা দিয়ে ক্যামেরা কিনে খুব সহজেই আমি অপূর্ব বা মনজুর এর সাথে কাজ টাজ করতে পারতাম। তাদের সাথে লেগে থেকে যদি কয়েকটা দিন বা মোটামুটি এক দেড় বছর  কাটাতে পারতাম, হয়তো আমাকে আর পেছনে তাকাতে হতো না।

এ রকম একটা ইলুশ্যনে ভুগতাম সবসময়। আমার মনে হতো, যদি ১০০০০ টাকা দিয়ে অপূর্ব এর কাছে একটা কোর্স করতে পারতাম, পরে তার সাথে লেগে থাকতাম, মানে সে যেখানে কাজে যাবে, তাকে বলতাম, ভাই আমাকে সাথে নিয়ে যান, তার সাথে আঠার মতো লেগে থাকার চেষ্টা করতাম। এভাবে তার আরো কিছু লোকজনের সাথে আমার পরিচয় হতো। তাদের সাথে একটা গুড রিলেশন করতে চেষ্টা করতাম। এর পর আছে মনজুর। তার সাথেও দেখা করতাম। এভাবে তাদের সবাই কে বলতাম, ভাই কোন ফটোগ্রাফার লাগলে ফোন দিয়েন, ব্যাপার টা এরকম যে, আমি জানি, যেকোন লোক যে বিয়ে বাড়িতে কাজ করে, তার হঠাৎ হঠাৎ লোকের অভাব পড়ে। আমি যদি সবাই কে গিয়ে বলে আসতাম, আমাকে ডাকবেন, যদি কোন লোক লাগে, আমাকে অবশ্যই ডাকত। এভাবে কোন না কোন সময়ে অবশ্যই আমি টুকটাক বিজি থাকতাম, যা এক সময় আমাকে নিজের একটা অবস্থান তোৈরি করে দিত। এক সময় আমি নিজেই এ রকম বড় কোন প্রতিষ্ঠান চালাতাম, মানে বড় বড় ফ্যামিলির কাজ পেতাম। হয়তো মিডিয়াতেও কাজ পেতাম। আর এটা কোন ব্যাপার না। যেভাবে আগানোর প্লান করেছিলাম। ওদের পেছনে এক দেড় বছর কুত্তার মতো দিলেই আমি নিজেকে তুলে ধরতে পারতাম।

আরেকটা প্লান করেছিলাম, আমি এবছর ডিগ্রী প্রাইভেট পরিক্ষার জন্য রেজি করবো। আর একটা ক্যামেরা কিনে অপূর্ব মনজুর দের  সাথে কাজ করবো। এভাবে বছর খানেক কাজ করার পর, যখন কিছু টাকা পয়সা আসবে, তখন হয় আগে পাঠশালায় তিন বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা কোর্স করবো না হয়, জার্নালিজম এর জন্য অনার্স এ ভর্তি হবো। আর জার্নালিজম শেষে কোন একটা নিউজ পেপারে ভর্তি বা ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট হলে সেই ইউনিভার্সিটিতেই টিচার হিসেবে রয়ে যাব। এই ছিল প্লান। মূল কথাটা ছিল এই যে, এ বছর ডিগ্রী, প্লাস ফটোগ্রাফীর উপর ডিপ্লোমা আর জার্নালিজম এর এ্যাডমিশন নিতাম, সুযোগ বুঝে আগে পরে।

এখন এই দোকান নেয়ার ফলে সব প্লান গেল উল্টে পাল্টে। কী রেখে যে কী করি, জানি না। তবে এখন এই দোকান থেকে আমাকে ক্যামেরার টাকাটা ম্যানেজ করতে হবে। পরে সুযোগ সুবিধা মতো কাজে নামতে হবে।

আর যদি অপূর্ব এর কাজটা ম্যানেজ করতে পারি, তাহলে সেখানে চাকরী পাশাপাশি পড়াশোনা করাটা খুব সমস্যা হয়ে যাবে। তবে সেখানে বছর খানেক কাজ করার পর, সুযোগ বুঝে এ্যাডমিশন নিয়ে রাখতে হবে। আর যদি এমন করা যায়, সকালের শিফটে কোথাও ভর্তি হয়ে বিকেলে অপূর্ব এর সাথে কাজ করা যায়, তাহলে তো বেস্ট। আর সব কথার শেষ কথা আমাকে অপূর্ব এর সাথে খুব ভালো একটা সম্পর্ক করে ফেলতে হবে, যাতে আমার নিজের সব ভালো মত আগায়। আর আমার বিশ্বাস আমি তা পারবো।

৩ সেপ্টেম্বর ২০১০

just for save 05

আর কয়েকটা দিন পর যখন ঈদ শেষ হবে, ব্যাবসা বানিজ্য নিয়ে নতুন করে শুরু হবে ব্যাস্ততা। এই যে, কয়েকটা দিন আগে আমি বেকার ছিলাম, কেমন ছিল আমার সেই সব দিন। মনে কী পড়ে? আচ্ছা, সেই রকম বেকার সময় কী আর কখনো আসবে আমার জীবনে? মনে হয় না। আপাতত কোন চান্স দেখি না। একদম পুরো বেকার ছিলাম একটা বছর। একদম বেকার।

এই যে, এতো টাকা দেনা করে দোকান দিলাম, এই দেনা শোধ করতে হবে। এর পর আছে ফ্যামিলি। এই ফ্যামিলির জন্যও টাকা কামাতে হবে। এখন থেকে সব সময়। এই সব করতে করতে আমি পড়ে যাব এক মহা সমুদ্রে। বিশাল এক চোরাবালিতে। যেখান থেকে বেরুনোর আর কোন পথ নেই।

সোহেল আমাকে আশা দিয়েছে, আমাকে ৩লাখ টাকা ম্যানেজ করে দিবে। এখন যদি সে সত্যিই আমাকে টাকা ম্যানেজ করে দিতে পারে, তাহলে সবার আগে আমি কী করবো? সবার আগে অপুর্ব ভাই এর সাথে কাজ করার জন্য একটা ক্যামেরা কিনবো। এর পরই একটা ল্যাপটপ। এরপর ই একটা ফোন, দামী। আর কিছু ভালো জামাকাপড়। ভালো জুতা, ভালো পারফিউম।

এই হলো আমার নিজের মত করে চিন্তা। এই আমার স্বভাব। আমি এই করতাম। যেরকম আমি অনেক আগে একবার করেছিলাম, যখন আমি ইন্টার এ পড়তাম, ইসলামী ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে পরে সিডি মোবাইল কিনেছিলাম। সেই রকম। এভাবে চিন্তা করলে চলবে না।

সবার আগে, চিন্তা করতে হবে, আমি এই টাকা টাকে কিভাবে ব্যাবসায় খাটালে এই টাকা ডিম দিবে তারাতারি। মানে এই টাকা ইনভেস্ট করে দ্রুত টাকা কামানো যাবে। যদি সম্ভব হয়, এই টাকা ব্যাবসায় খাটিয়ে যদি একটা ক্যামেরার টাকা কামাতে পারতাম। কিন্তু আমি জানি, খুব দ্রুত এই টাকা থেকে লাভ হবার কোন চান্স নেই।

তবুও, সবার আগে খোজ নিতে হবে, সামনে কী কী শেয়ার আসবে। যদি দেখি, সামনে অনেক শেয়ার, আর ৩ লাখ পুরোটাই লাগবে, তাহলে তখন আর এই টাকা দিয়ে অন্য কোন কাজ না করে পুরো টাকাটা শেয়ারে লাগানো টাই ঠিক হবে। আর না হলে, মিনিমাম, একটা ক্যামেরা তো কিনতে হবেই। কারন তা না হলে, আমি তো অপূর্ব ভাই এর সাথে কাজ করতে পারবো না। সেখানে কাজ করার পূর্বে, প্রথমে অবশ্য কিছু দিন ফ্রী খাটবো।

৮ সেপ্টেম্বর ২০১০

just for save 04

মোটামুটি একটা ব্যাপার নিশ্চিত যে, হয়তো ক্যামেরা কিনলে আমি ক্যানন 7D  বা 60D কিনব। দেখি কী করা যায়। বা কী হয়।

অন লাইনে আমি নিয়মিত হবার পর, আমার মনে যে ইচ্ছা টা বেশি ছিল তা হলো, টাকা কামানো। অনলাইনে টাকা কামানো। পরে আমি অনেক দিন এটার পিছনে ব্যায় করেছি। নষ্ট করেছি। কোন কাজ হয়নি। সেখান থেকে অবশ্য একটা লাভ আমার হয়েছে। আমার মাথায় নিজের একটা ওয়েব সাইট থাকার ব্যাপার টা চলে এসেছে। আর আমার কম কিছুতেই পোষে না। তাই এ একটা সাইট থাকার ব্যাপার টা এখন চলে এসেছে কয়েকটাতে। এখন আমার কয়েক টা ওয়েব সাইট দরকার। আলাদা আলাদা বিষয়ের উপর। আর আমি চাই, আমি সবগুলো বিষয়ে সাইট বানাবো আর আমার সাইট গুলো প্রত্যেক টা বিষয়ে থাকবে সেরা।

আমি একজন সাধারন মানুষ। কম্পিউটার বিষয়ে আমার কোন প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান নেই। সামান্য টাকা কামানোর ধান্দা থেকে নিজের ওয়েব সাইট  করার চিন্তা প্রথমে আসে। সেই চিন্তা থেকে সেটা আরো বড় হয়ে অন্য সাইট করার বিশেষ করে সোস্যাল নেটওয়ার্ক ভিত্তিক সাইট করার চিন্তা মাথায় আসে। আর আমি ভেবে পাই না, কীভাবে আমার মাথায় এই আশা আসে যে, আমি যে সোস্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট করবো সেটা দেশে এক নম্বর হবে। আমি এই স্বপ্ন কীভাবে দেখি। আর যদিও বা দেখি, আমি এটা কি করে ভাবি, আমার সবগুলো সাইট দেশে একনম্বর হবে। কীভাবে?

যদি এমন হয় যে, আমি একটা সাইট নিয়েই থাকি, তাহলে হয়তো আশা করা যেতে পারে। কিন্তু আমি যেভাবে ভাবি সেভাবে কীভাবে সম্ভব। তবে, আমি এটা ভাবি না, আমার সব সাইটই টপ থাকবে। তবে, কথা হলো, আমি কেন এতো সাইট নিয়ে মাথা ঘামাবো। আপাতত আমার বাংলা সাইট নিয়ে চিন্তা হলো, কল্পলোক, স্বপ্নলোক, তারুন্য। আর টাকা কামানোর জন্য ভাবছি, গার্লস হ্যাভেন। এটার সাবডোমেইন এ অনেক কিছু করার পরিকল্পনা। অনেক টা দুনিয়ার সব কিছু এক সাইটে এনে ফেলার চিন্তা। এই সাইট টা পুরো টাই টাকা কামানোর ধান্দা নিয়ে করা হবে। সামনে করবো স্পোর্টিকা। এটা হবে, ইন্টার ন্যাশনাল লেভেলে একটা সাইট। এটা নিয়েও আমার অনেক আশা।

যখন পাঠশালা তে ভর্তি হবো, সেখানকার ছাত্রদের নিয়ে একটা ছবিব্লগ বানানোর চিন্তাভাবনা আছে। আর এতো সাইটের আশা করে লাভ নেই। যা হবে, এমনিই হবে। এই কয়টা সাইট দিয়েই হবে।

অবশ্য ব্যাক্তিগত বা পেশাগত আরো সাইট বানানোর প্লান আছে। সেটা অবশ্য অনেক পরে। যেমন, ট্যুরিজম নিয়ে সাইট বানানোর ইচ্ছে আছে। এরপরে আমি যত ছবি তুলব, তার আলাদা সাইট বানানোর প্লান আছে। ইন্টারন্যাশনাল লেভেলে ছবি ব্লগ নিয়ে প্লান আছে। রূপকথা ভিডিও নামে সাইট করার প্লান আছে। প্লান আছে আরো অনেক। তবে, আপাতত সব প্লানই কল্পলোক নিয়ে। এই কল্পলোক সাক্সেস পেলে পরে সেখানে, স্বপ্নলোকের এড বসিয়ে সেখানে ব্লগ চালানো যেতে পারে। একটা সাইট বিখ্যাত হয়ে গেলে পরে অনেক সাইট বানানো যায়। কিন্তু এক সাথে অনেক সাইট এর কাজ শুরু করলে কোনটাই সফল হবে না।

7 september 2010

just for save 03

now a days I'm thinking about a girls website, where girlz will join, I dont have sufficent networking power to make people to join my site. this is a great failour for me to make a site popular. But i'll have to solve this problem. I'll have to make a strong network to make people to join my site. if a person like blogger murubbi or mahmud would do anything, many people would join with him, he has a natural leading qualification. But I had. I felt that I had this quality once. But where is that now?

How can I make a strong site. How to do this. I'm a man of no leading quality. How to do this? how to make the people to like me.? how? I dont know. But I need this. I must have this quality to do this. I dont know how.

just for save 02

Most of my site that i made is Bangladeshi site. All the site that i made is Bengali community based. But I need to make a site with international community of all language. For this i want to make richmansclub.com to make a soicial bookmarking site with hotaru cms to bring all article in a place ralated to online money making to unite all guy together. Most of them will not come to me. But if I make it popular, them new internet user will come to me.

I'll do it later. After successful finishing of all running site. like kolpolok or sopnolok.

just for save-01

আজ মনটা কেমন যেন। ভালো না খারাপ বোঝা যাচ্ছে না। তবে একটা খারাপ খারাপ আবহ আছে। এর কারন টা বুঝতে পারছি না। কী সেই কারন। ব্যবসা খুব ভালো চলছে না, এই কারন? নাকি সামনের কঠিন বিপদ সংকুল দূর্গম দিন গুলোর কথা ভেবে মন টা খারাপ। আসল কারন না অজানা। তবে একটু গভীর ভাবে ভাবলে হয়তো কারন টা পাওয়া অসম্ভব কিছু না। ও একটা কারন পাওয়া গেছে। মকবুল চাচার পাঁচশ। তার বাসায় যে কাজের মহিলা কাজ করে, তাকে ৫০০ দিতে হবে। এই পাঁচশ টাকা কীভাবে দিব এটা ভেবে মন খারাপ হতে  পারে। আরো অনেক কারন থাকতে পারে। ব্যাবসা মন্দা। আর ঈদের পর এটা ভালো হবে নাকি এমনই থাকবে এটা নিয়ে চিন্তা ও একটা কারন হতে পারে। তবে হঠাৎ হটাৎ উদাস হয়ে যাওয়া আমার অনেক পুরোনো রোগ। এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই; এমন প্রায় ই হয়। জীবনে যা করেছি এই এতো কাল তাতে আমার জন্য এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। যাক।

আজ গিয়েছিলাম অপূর্ব ভাই এর ওখানে। নিঃসন্দেহে এটা অনেক বড় একটা ঘটনা আমার জন্যে। অন্তত এখন পর্যন্ত যে হিসেব নিকেষ আমার জীবনে। তবে আমার ক্ষেত্রে শেষ কোন কথা নেই। আমার চিন্তা এবং দর্শন পাল্টায় কয়েক দিন পর পর। সুতরাং আপাত দৃষ্টিতে এটা আমার জন্য একটা বড় ঘটনা হলেও পরে হয়তো দেখা যাবে, এটা মূল্যহীন।

ভবিষ্যতে কী হবে, তা ভেবে কী লাভ। যেখানে আমার চিন্তা এবং ইচ্ছার ই কোন স্থিতিশীলতা নেই। আজ এই তো কাল এই। এটাকে বড় করে দেখলে তো আমার সব কিছুই হয়ে যায়, অর্থহীন।

তাই কোন জটিল ভাবনায় না গিয়ে যদি সরল সমীকরন টানা যায়, তাহলে বলা যাবে, অপূর্ব ভাই এর সাথে গিয়ে দেখা করে আসা এবং সেখানে কাজ করার একটা ব্যাবস্থা করে আসা অনেক বড় একটা ব্যাপার। বর্তমান সময়ের ক্যালকুলেশনে।

অপূর্ব ভাই এর ব্যাপার টা ঠিক বুঝলাম না। আমাকে খুব সহজভাবে সেখানে কাজ করার ব্যাপার টা বলল। মানে প্রথম দিনেই আমাকে খুব ভালো ভাবে না জেনেই সে বলল, আমি কাজ করতে পারব। ঠিক বোঝাতে পারছি না। তবে একটা সমীকরন মিলছে না।

সেখানে উনার মাত্র এক জন স্টাফ আছে। আলামিন। আর কোন পেইড স্টাফ নেই। আর তার কোন ক্যামেরা ও নাকি নেই। কাজ হলে তারা ক্যামেরা ভাড়া আনে। আর কাজ হলে অনেক লোক ও নাকি চলে আসে। আর আল আমিন ছেলেটা ভোদাই। ওকে বেতন দেয়া হয় ৮ হাজার টাকা। ও ইডিয়াসে কাজ করে। আমি বুঝি না। আসলে আলামিন কেই উনি ঠকাচ্ছেন, সুযোগ পেয়ে কম দিচ্ছেন নাকি উনি এমনই কৃপন প্রকৃতির।

যতদূর জানি বা মনে হয়, টাকা পয়সা ওনাদের ভালোই কামানোর কথা। আর গুলশান ২ এ অফিস আর অফিসের ধরন দেখে মনে হলো, না টাকা পয়সা ভালোই কামানোর কথা। এখন যদি এমন হয়, কাজ খুব কম, তাহলে এ ধরমের কৃপনতা কে মেনে নেওয়া যায়। আর যদি এটা তার স্বভাব হয়, তাহলে কোন কথা নেই।

জানিনা, তবে কোথাও একটা সমীকরন মিলছে না। কেন মিলছে না বুঝতে পারছিনা। তবে মাস খানেকের মধ্যেই এটা আমার কাছে ক্লিয়ার হয়ে যাবে। ব্যাপার না।

অপূর্ব ভাই আমার কাজ দেখলেন। ভালো ভাবেই দেখলেন। মানে সব কয়টা ডিস্ক। উনি দেখে বললেন, এ ধরনের কাজ উনাদের এলাকায় চলে না। সেখানে কেমন কাজ হয়, আমাকে তার একটা ক্লিপ দেখালেন। ভালো লাগল। তারপরে স্টিল ছবি দেখালেন। বললেন, তাদের কাজের ধরন টা আলাদা। এতো ইফেক্ট বা এতো কিছু করতে হয় না। সেখানে কাজ ও কম। তবে অনেক যত্ন নিয়ে করতে হয়। মানুষের আবেগ টাকে তুলে আনতে হয়। ভিডিও এডিট করার ক্ষেত্রে তিনি বললেন, মিউজিকের সাথে মিলিয়ে কাজ করতে হবে, যেটা বসে মানে সাগর ভাই করে থাকেন। বসের কয়েকটা কাজ আমাকে দেখতে হবে।

অপূর্ব ভাই আমার সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে চাইলেন। তানভীরের কাছে টাকা উঠানোর ক্ষেত্রে তিনি আমাকে কিছু টিপস দিলেন। তবে সবচেয়ে ভালো লেগেছে, তিনি আমার সাথে খুব ভদ্র ব্যবহার করেছেন। তিনি ক্যাসেট একটা দেখে বলতে পারতেন, এসব চলবে না। তিনি তিনটা ডিস্কই দেখলেন। আবার যখন তার কর্মচারী আলআমিন একটা ক্যাসেট ঢুকালেন, একটু দেখেই ডিস্ক বের করে বললেন, না এসব চলবে না। "অপূর্ব ভাই এর কাছে চলতে পারে, আমার কাছে চলবে না।"

অথচ অপূর্ব ভাই খুব শান্ত শিষ্ট ভাবে আমাকে যা বলার বললেন। ওনার বিহেভিআর এ একটা পূর্নতা আছে। মানে ছক বাধা। তারাহুরো নেই।

উনার স্টীল ইমেজের এডিট মনে হয়, তিনি নিজেই করেন। আমাকে তিনি বললেন, তার এখন ব্যাস্ততার জন্য স্টুডিও তে ছবি তোলা প্রায় বন্ধ আছে। আমি যদি ক্যামেরা কিনি, তাহলে আমি চাইলে সেখানে ফটোগ্রাফি শিখে সেখানে কাজ করতে পারবো।

তিনি আমাকে সময় নিয়ে বোঝালেন, তার ওখানে পার্মানেন্টলি কাজ করলে কী হবে, আর কন্টাকে কাজ করলে কী হবে। পার্মানেন্টলী কাজ করলে বেতন একটু কম। কারন তখন তাকে সারা বছরের হিসেব করতে হয়। আর কাজ তো সব সময় থাকেনা। কাজ হয় সিজনাল। আর কন্টাকে ও কাজ করা যায়। কাজ থাকলে, কাজ ভিত্তিক পেমেন্ট। এখানে পেমেন্ট একটু বেশি। তবে সুযোগ সুবিধা কম।

তিনি বললেন, পার্মানেন্ট লি কাজ করলে টাকা কম থাকলেও সুযোগ সুবিঢা বেশি। যেমন, তিনি বললেন, দশ বছর কাজ করে তিনি যা শিখেছেন, হয়তো আমি সেখানে তা দুই মাসে শিখে বাইরে কাজ করলাম, তাহলে এটাতো তার বিজনেসে লস। কন্টাকে কাজ করলে তার তো কাজ শিখিয়ে কোন লাভ নেই। কারন যে শিখবে সে বাইরে ও কাজ করবে। এ কথা গুলো তিনি যেভাবে বোঝালেন, আমি মুগ্ধ হলাম।

তাকে এক পর্যায়ে যখন বললাম, আপনি মিউজিক ভিডিও এর জন্য   এডিটর খুজছিলেন, তিনি বললেন, বিয়ের কাজের জন্য এডিটর দরকার এ রকম স্টাটাস দিলে, দেখা যেত বিয়ের এডিটর রা চলে আসবে। আর তার দরকার এমন কেউ যারা মিউজিক ভিডিও এর মতো ভিডিও আর গান মিলিয়ে কাজ করবে। মিউজিক ভিডিও এর জন্য লোক এর কথা বললেও তিনি তাকে দিয়ে তো আর মিউজিক ভিডিও এর কাজ করাবেন না। আমি তখন ও মুগ্ধ হয়েছিলাম।

তিনি যখন দেখেছিলেন, আমি গানের মতো গান, আর ভিডিও এর মটো ভিডিও দিয়ে কাজ করেছিলাম, তিনি পরে বলেছিলেন, এখানে শ্যুট করার আগেই পরিকল্পনা করা হয়, কোন ভিডিও টা কিভাবে শ্যুট করা হবে। কোন গান টা ইউজ করা হবে।

Sunday, 5 September 2010

সোহেল নতুন আশা দিল। যদিও সে আশা পূরন হবে কিনা জানিনা।

আজ হঠাৎ সোহেল আমাকে বলল, আমার জন্য একটা গুড নিউজ আছে। আমি চিন্তা করলাম, সোহেল আমাকে আর কী গুড নিউজ দিবে। ওর কোন কিছুই আজ কাল আর বিশ্বাস করি না। ওর উপর আমার অনেক বড় একটা জিদ আছে। সেটা আমি পরে বাস্তবায়িত করবো। কয়েক দিন আগে ও আমাকে লোন দেয়ার কথা বলে আর কোন কিছু বললো না। এতে আমার অনেক বড় ক্ষতি হয়েছে। কিন্তু আমি তাকে কিছু বলিনি। জিদ টা পুষে রেখেছি। সোহেল আমাকে এই টাকাটা না দেয়ায় আমার অনেক বড় ক্ষতি হয়েছে। আমি ঈদের আগেই দোকানে ডেকোরেশনের কাজে হাত দিতে চেয়েছিলাম, কিন্তু শুধু মাত্র ওর কারনেই আমি সেটা দিতে পারিনি। ও আমাকে টাকার নিশ্চয়তা দিয়েছিল। আমি আশা করেছিলাম, ওর কাছ থেকে টাকা নিয়ে আমি সেই টাকা দিয়ে দোকানের ডেকোরেশনের কাজ করবো। হলো না।

আজ যখন ও আমাকে বলল, আমার জন্য গুড নিউজ। পরে আমি বললাম, ঠিক আছে, আমিও তোমাকে একটা উপহার দিব, যদি তুমি আমাকে আসলেই ভাল কোন নিউজ দিতে পার। পরে সে আমাকে বলল, ঈদের  পর সে আমাকে তিন লাখ টাকার একটা লোন ম্যানেজ করে দিবে। আমি বিশ্বাস করলাম না। মুখে শুধু বললাম, তুমি আশা দিয়ে পরে মন ভেংগে ফেল। বেশি কিছু বললাম না। তবে আমি মোটামুটি শিউর সে বালও ফেলতে পারবে না। সে বলল, একটা কানাডিয়ান কোম্পানি আছে। যেখান থেকে সে এই লোন টা ম্যানেজ করে দিবে। আমি বেশি কিছু বললাম না।

ওকেও আমি উপহার হিসেবে প্রভার ভিডিও টা দেখালাম। সে তো টাসকি খেয়েছে। এই ভিডিও নেয়ার জন্য এখন সে পেনড্রাইভ কিনবে। আর এখন তাকে নেট ইউজ করা শিখাতে হবে। আমি বুঝলাম, ওষুধে ভালো কাজ হইছে।

এক পর্যায়ে সোহেল বলল, ও আমার সাথে কন্টাক করবে, ওকে এক লাখ টাকা দিতে হবে। সে নাকি কিসের একটা ব্যাবসা করবে। আমি বললাম, অবশ্যই। তুমি যদি এটা করতে পার, আর ঠিক মতো তোমার কিস্তি চালাও আমি তোমাকে কেন দিবনা।  সে বলল, ঈদের পর চার থেকে ছয় সপ্তাহ সময় লাগবে। এর মধ্যে সে এটা করে ফেলবে।

এজন্য অবশ্য তিনটা ট্রেড লাইসেন্স লাগবে। আমি বললাম, এটা কিভাবে। আর মনে মনে বললাম, এটা যদি ম্যানেজ করতে পারি, আমি টো ঢাকা ব্যাংক থেকেই কবে লোন ম্যানেজ করে ফেলতাম, আমি একটু হতাশ হলাম। কিন্তু সে  বলল, এটা সে ম্যানেজ করে দিবে। এটা তার জন্য কোন ব্যপার না। তার কথার মধ্যে আমি কনফিডেন্স দেখলাম। আমার মনে হলো সে এটা পারবে। সে বলল। ইউনিয়ন পরিষদ তঝেকে সে লোকের মাধ্যমে ব্লাংক ট্রেড লাইসেন্স নিবে, আর পরে ইচ্ছা মতো যা খুশি লিখে নিবে।

আমি সোহেল থেকে লোনের ব্যাপারে কোন আশা না দেখলেও এই আশায় কোন তর্কে বা আলোচনায় গেলাম না। বা ওকে নেতিবাচক কিছু বললাম না, যে ও যদি আমাকে তিন টা ট্রেড লাইসেন্স ও ম্যানেজ করে দিতে  পারে, সেটাও অনেক হবে, আমার জন্য। আমি এটা দিয়ে অন্য অনেক ব্যাংক থেকে টাকা তুলতে পারবো। বিশেষ করে ঢাকা ব্যাংক।

এর পরে আর কী, সোহেলের সাথে উষ্ণ কথা বার্তা বললাম। প্রভার ভিডিও দেখালাম। এইতো।

আর আমার তো বিশেষ  একটা মন আছেই। এখন ই সে স্বপ্ন দেখছে যে, টাকা টা সে পাবে। আর পেলে, সে টাকাটা কিভাবে খরচ করবে, সেই স্বপ্ন ও দেখা শুরু করেছে। কি ব্যবসা করলে ভালো হবে। কীভাবে কফিশপ, তারপরে অপূর্ব বা পড়াশোনা বা শেয়ার ব্যাবসায় টাকা ইনভেস্ট করবে এই সব নিয়ে নানান জটিল সব ভাবনা ভাবছে। আহারে! আমার মন!!!
5 September 2010

দিনের ঘটনা গুলো স্বপ্নের মতো। বা স্বপ্নে দেখা।

আজ মনটা কেমন যেন। ভালো না খারাপ বোঝা যাচ্ছে না। তবে একটা খারাপ খারাপ আবহ আছে। এর কারন টা বুঝতে পারছি না। কী সেই কারন। ব্যবসা খুব ভালো চলছে না, এই কারন? নাকি সামনের কঠিন বিপদ সংকুল দূর্গম দিন গুলোর কথা ভেবে মন টা খারাপ। আসল কারন না অজানা। তবে একটু গভীর ভাবে ভাবলে হয়তো কারন টা পাওয়া অসম্ভব কিছু না। ও একটা কারন পাওয়া গেছে। মকবুল চাচার পাঁচশ। তার বাসায় যে কাজের মহিলা কাজ করে, তাকে ৫০০ দিতে হবে। এই পাঁচশ টাকা কীভাবে দিব এটা ভেবে মন খারাপ হতে  পারে। আরো অনেক কারন থাকতে পারে। ব্যাবসা মন্দা। আর ঈদের পর এটা ভালো হবে নাকি এমনই থাকবে এটা নিয়ে চিন্তা ও একটা কারন হতে পারে। তবে হঠাৎ হটাৎ উদাস হয়ে যাওয়া আমার অনেক পুরোনো রোগ। এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই; এমন প্রায় ই হয়। জীবনে যা করেছি এই এতো কাল তাতে আমার জন্য এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। যাক।

আজ গিয়েছিলাম অপূর্ব ভাই এর ওখানে। নিঃসন্দেহে এটা অনেক বড় একটা ঘটনা আমার জন্যে। অন্তত এখন পর্যন্ত যে হিসেব নিকেষ আমার জীবনে। তবে আমার ক্ষেত্রে শেষ কোন কথা নেই। আমার চিন্তা এবং দর্শন পাল্টায় কয়েক দিন পর পর। সুতরাং আপাত দৃষ্টিতে এটা আমার জন্য একটা বড় ঘটনা হলেও পরে হয়তো দেখা যাবে, এটা মূল্যহীন।

ভবিষ্যতে কী হবে, তা ভেবে কী লাভ। যেখানে আমার চিন্তা এবং ইচ্ছার ই কোন স্থিতিশীলতা নেই। আজ এই তো কাল এই। এটাকে বড় করে দেখলে তো আমার সব কিছুই হয়ে যায়, অর্থহীন।

তাই কোন জটিল ভাবনায় না গিয়ে যদি সরল সমীকরন টানা যায়, তাহলে বলা যাবে, অপূর্ব ভাই এর সাথে গিয়ে দেখা করে আসা এবং সেখানে কাজ করার একটা ব্যাবস্থা করে আসা অনেক বড় একটা ব্যাপার। বর্তমান সময়ের ক্যালকুলেশনে।

অপূর্ব ভাই এর ব্যাপার টা ঠিক বুঝলাম না। আমাকে খুব সহজভাবে সেখানে কাজ করার ব্যাপার টা বলল। মানে প্রথম দিনেই আমাকে খুব ভালো ভাবে না জেনেই সে বলল, আমি কাজ করতে পারব। ঠিক বোঝাতে পারছি না। তবে একটা সমীকরন মিলছে না।

সেখানে উনার মাত্র এক জন স্টাফ আছে। আলামিন। আর কোন পেইড স্টাফ নেই। আর তার কোন ক্যামেরা ও নাকি নেই। কাজ হলে তারা ক্যামেরা ভাড়া আনে। আর কাজ হলে অনেক লোক ও নাকি চলে আসে। আর আল আমিন ছেলেটা ভোদাই। ওকে বেতন দেয়া হয় ৮ হাজার টাকা। ও ইডিয়াসে কাজ করে। আমি বুঝি না। আসলে আলামিন কেই উনি ঠকাচ্ছেন, সুযোগ পেয়ে কম দিচ্ছেন নাকি উনি এমনই কৃপন প্রকৃতির।

যতদূর জানি বা মনে হয়, টাকা পয়সা ওনাদের ভালোই কামানোর কথা। আর গুলশান ২ এ অফিস আর অফিসের ধরন দেখে মনে হলো, না টাকা পয়সা ভালোই কামানোর কথা। এখন যদি এমন হয়, কাজ খুব কম, তাহলে এ ধরমের কৃপনতা কে মেনে নেওয়া যায়। আর যদি এটা তার স্বভাব হয়, তাহলে কোন কথা নেই।

জানিনা, তবে কোথাও একটা সমীকরন মিলছে না। কেন মিলছে না বুঝতে পারছিনা। তবে মাস খানেকের মধ্যেই এটা আমার কাছে ক্লিয়ার হয়ে যাবে। ব্যাপার না।

অপূর্ব ভাই আমার কাজ দেখলেন। ভালো ভাবেই দেখলেন। মানে সব কয়টা ডিস্ক। উনি দেখে বললেন, এ ধরনের কাজ উনাদের এলাকায় চলে না। সেখানে কেমন কাজ হয়, আমাকে তার একটা ক্লিপ দেখালেন। ভালো লাগল। তারপরে স্টিল ছবি দেখালেন। বললেন, তাদের কাজের ধরন টা আলাদা। এতো ইফেক্ট বা এতো কিছু করতে হয় না। সেখানে কাজ ও কম। তবে অনেক যত্ন নিয়ে করতে হয়। মানুষের আবেগ টাকে তুলে আনতে হয়। ভিডিও এডিট করার ক্ষেত্রে তিনি বললেন, মিউজিকের সাথে মিলিয়ে কাজ করতে হবে, যেটা বসে মানে সাগর ভাই করে থাকেন। বসের কয়েকটা কাজ আমাকে দেখতে হবে।

অপূর্ব ভাই আমার সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে চাইলেন। তানভীরের কাছে টাকা উঠানোর ক্ষেত্রে তিনি আমাকে কিছু টিপস দিলেন। তবে সবচেয়ে ভালো লেগেছে, তিনি আমার সাথে খুব ভদ্র ব্যবহার করেছেন। তিনি ক্যাসেট একটা দেখে বলতে পারতেন, এসব চলবে না। তিনি তিনটা ডিস্কই দেখলেন। আবার যখন তার কর্মচারী আলআমিন একটা ক্যাসেট ঢুকালেন, একটু দেখেই ডিস্ক বের করে বললেন, না এসব চলবে না। "অপূর্ব ভাই এর কাছে চলতে পারে, আমার কাছে চলবে না।"

অথচ অপূর্ব ভাই খুব শান্ত শিষ্ট ভাবে আমাকে যা বলার বললেন। ওনার বিহেভিআর এ একটা পূর্নতা আছে। মানে ছক বাধা। তারাহুরো নেই।

উনার স্টীল ইমেজের এডিট মনে হয়, তিনি নিজেই করেন। আমাকে তিনি বললেন, তার এখন ব্যাস্ততার জন্য স্টুডিও তে ছবি তোলা প্রায় বন্ধ আছে। আমি যদি ক্যামেরা কিনি, তাহলে আমি চাইলে সেখানে ফটোগ্রাফি শিখে সেখানে কাজ করতে পারবো।

তিনি আমাকে সময় নিয়ে বোঝালেন, তার ওখানে পার্মানেন্টলি কাজ করলে কী হবে, আর কন্টাকে কাজ করলে কী হবে। পার্মানেন্টলী কাজ করলে বেতন একটু কম। কারন তখন তাকে সারা বছরের হিসেব করতে হয়। আর কাজ তো সব সময় থাকেনা। কাজ হয় সিজনাল। আর কন্টাকে ও কাজ করা যায়। কাজ থাকলে, কাজ ভিত্তিক পেমেন্ট। এখানে পেমেন্ট একটু বেশি। তবে সুযোগ সুবিধা কম।

তিনি বললেন, পার্মানেন্ট লি কাজ করলে টাকা কম থাকলেও সুযোগ সুবিঢা বেশি। যেমন, তিনি বললেন, দশ বছর কাজ করে তিনি যা শিখেছেন, হয়তো আমি সেখানে তা দুই মাসে শিখে বাইরে কাজ করলাম, তাহলে এটাতো তার বিজনেসে লস। কন্টাকে কাজ করলে তার তো কাজ শিখিয়ে কোন লাভ নেই। কারন যে শিখবে সে বাইরে ও কাজ করবে। এ কথা গুলো তিনি যেভাবে বোঝালেন, আমি মুগ্ধ হলাম।

তাকে এক পর্যায়ে যখন বললাম, আপনি মিউজিক ভিডিও এর জন্য   এডিটর খুজছিলেন, তিনি বললেন, বিয়ের কাজের জন্য এডিটর দরকার এ রকম স্টাটাস দিলে, দেখা যেত বিয়ের এডিটর রা চলে আসবে। আর তার দরকার এমন কেউ যারা মিউজিক ভিডিও এর মতো ভিডিও আর গান মিলিয়ে কাজ করবে। মিউজিক ভিডিও এর জন্য লোক এর কথা বললেও তিনি তাকে দিয়ে তো আর মিউজিক ভিডিও এর কাজ করাবেন না। আমি তখন ও মুগ্ধ হয়েছিলাম।

তিনি যখন দেখেছিলেন, আমি গানের মতো গান, আর ভিডিও এর মটো ভিডিও দিয়ে কাজ করেছিলাম, তিনি পরে বলেছিলেন, এখানে শ্যুট করার আগেই পরিকল্পনা করা হয়, কোন ভিডিও টা কিভাবে শ্যুট করা হবে। কোন গান টা ইউজ করা হবে।
04 September 2010

Wednesday, 1 September 2010

এভাবেই শুরু হোক পথচলা।

কিছু কিছু বিষয়ে আমি এখনো বাচ্চাদের মতোই রয়ে গেছি। যেমন এই তারিখ। কোন কিছু শুরু করার জন্য আমার বিশেষ তারিখ চাই। বিশেষ তারিখ না হলে মন ভরে না। আবার কোন বিশেষ তারিখ এলে, কোন বিশেষ কাজ করতে মন চায়। কোন বিশেষ তারিখ এল, অথচ আমি বিশেষ কিছু করলাম না, মন টা মানতে চায় না।

আজ ০১-০৯-১০। তারিখ টা ভাল। তাই মনটাও কেমন যেন উদাস। আর তাই ঠিক করে ফেললাম, একটা ব্লগ বানাবো। যেখানে আমি আমার কথাগুলো লিখবো। ইচ্ছে ছিল একটা ডোমেইন কিনেই এই ব্লগ টা বানাবো। কিন্তু কবে টাকা হবে, আর কবে ডোমেইন কিনবো তার আশায় বসে থাকলাম না। যদি কখনো হয়, হবে, তবে এখন না হয় এভাবেই শুরু হোক পথচলা।

১লা সেপ্টেম্বর, ২০১০