আর কয়েকটা দিন পর যখন ঈদ শেষ হবে, ব্যাবসা বানিজ্য নিয়ে নতুন করে শুরু হবে ব্যাস্ততা। এই যে, কয়েকটা দিন আগে আমি বেকার ছিলাম, কেমন ছিল আমার সেই সব দিন। মনে কী পড়ে? আচ্ছা, সেই রকম বেকার সময় কী আর কখনো আসবে আমার জীবনে? মনে হয় না। আপাতত কোন চান্স দেখি না। একদম পুরো বেকার ছিলাম একটা বছর। একদম বেকার।
এই যে, এতো টাকা দেনা করে দোকান দিলাম, এই দেনা শোধ করতে হবে। এর পর আছে ফ্যামিলি। এই ফ্যামিলির জন্যও টাকা কামাতে হবে। এখন থেকে সব সময়। এই সব করতে করতে আমি পড়ে যাব এক মহা সমুদ্রে। বিশাল এক চোরাবালিতে। যেখান থেকে বেরুনোর আর কোন পথ নেই।
সোহেল আমাকে আশা দিয়েছে, আমাকে ৩লাখ টাকা ম্যানেজ করে দিবে। এখন যদি সে সত্যিই আমাকে টাকা ম্যানেজ করে দিতে পারে, তাহলে সবার আগে আমি কী করবো? সবার আগে অপুর্ব ভাই এর সাথে কাজ করার জন্য একটা ক্যামেরা কিনবো। এর পরই একটা ল্যাপটপ। এরপর ই একটা ফোন, দামী। আর কিছু ভালো জামাকাপড়। ভালো জুতা, ভালো পারফিউম।
এই হলো আমার নিজের মত করে চিন্তা। এই আমার স্বভাব। আমি এই করতাম। যেরকম আমি অনেক আগে একবার করেছিলাম, যখন আমি ইন্টার এ পড়তাম, ইসলামী ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে পরে সিডি মোবাইল কিনেছিলাম। সেই রকম। এভাবে চিন্তা করলে চলবে না।
সবার আগে, চিন্তা করতে হবে, আমি এই টাকা টাকে কিভাবে ব্যাবসায় খাটালে এই টাকা ডিম দিবে তারাতারি। মানে এই টাকা ইনভেস্ট করে দ্রুত টাকা কামানো যাবে। যদি সম্ভব হয়, এই টাকা ব্যাবসায় খাটিয়ে যদি একটা ক্যামেরার টাকা কামাতে পারতাম। কিন্তু আমি জানি, খুব দ্রুত এই টাকা থেকে লাভ হবার কোন চান্স নেই।
তবুও, সবার আগে খোজ নিতে হবে, সামনে কী কী শেয়ার আসবে। যদি দেখি, সামনে অনেক শেয়ার, আর ৩ লাখ পুরোটাই লাগবে, তাহলে তখন আর এই টাকা দিয়ে অন্য কোন কাজ না করে পুরো টাকাটা শেয়ারে লাগানো টাই ঠিক হবে। আর না হলে, মিনিমাম, একটা ক্যামেরা তো কিনতে হবেই। কারন তা না হলে, আমি তো অপূর্ব ভাই এর সাথে কাজ করতে পারবো না। সেখানে কাজ করার পূর্বে, প্রথমে অবশ্য কিছু দিন ফ্রী খাটবো।
৮ সেপ্টেম্বর ২০১০
No comments:
Post a Comment