আজ হঠাৎ সোহেল আমাকে বলল, আমার জন্য একটা গুড নিউজ আছে। আমি চিন্তা করলাম, সোহেল আমাকে আর কী গুড নিউজ দিবে। ওর কোন কিছুই আজ কাল আর বিশ্বাস করি না। ওর উপর আমার অনেক বড় একটা জিদ আছে। সেটা আমি পরে বাস্তবায়িত করবো। কয়েক দিন আগে ও আমাকে লোন দেয়ার কথা বলে আর কোন কিছু বললো না। এতে আমার অনেক বড় ক্ষতি হয়েছে। কিন্তু আমি তাকে কিছু বলিনি। জিদ টা পুষে রেখেছি। সোহেল আমাকে এই টাকাটা না দেয়ায় আমার অনেক বড় ক্ষতি হয়েছে। আমি ঈদের আগেই দোকানে ডেকোরেশনের কাজে হাত দিতে চেয়েছিলাম, কিন্তু শুধু মাত্র ওর কারনেই আমি সেটা দিতে পারিনি। ও আমাকে টাকার নিশ্চয়তা দিয়েছিল। আমি আশা করেছিলাম, ওর কাছ থেকে টাকা নিয়ে আমি সেই টাকা দিয়ে দোকানের ডেকোরেশনের কাজ করবো। হলো না।
আজ যখন ও আমাকে বলল, আমার জন্য গুড নিউজ। পরে আমি বললাম, ঠিক আছে, আমিও তোমাকে একটা উপহার দিব, যদি তুমি আমাকে আসলেই ভাল কোন নিউজ দিতে পার। পরে সে আমাকে বলল, ঈদের পর সে আমাকে তিন লাখ টাকার একটা লোন ম্যানেজ করে দিবে। আমি বিশ্বাস করলাম না। মুখে শুধু বললাম, তুমি আশা দিয়ে পরে মন ভেংগে ফেল। বেশি কিছু বললাম না। তবে আমি মোটামুটি শিউর সে বালও ফেলতে পারবে না। সে বলল, একটা কানাডিয়ান কোম্পানি আছে। যেখান থেকে সে এই লোন টা ম্যানেজ করে দিবে। আমি বেশি কিছু বললাম না।
ওকেও আমি উপহার হিসেবে প্রভার ভিডিও টা দেখালাম। সে তো টাসকি খেয়েছে। এই ভিডিও নেয়ার জন্য এখন সে পেনড্রাইভ কিনবে। আর এখন তাকে নেট ইউজ করা শিখাতে হবে। আমি বুঝলাম, ওষুধে ভালো কাজ হইছে।
এক পর্যায়ে সোহেল বলল, ও আমার সাথে কন্টাক করবে, ওকে এক লাখ টাকা দিতে হবে। সে নাকি কিসের একটা ব্যাবসা করবে। আমি বললাম, অবশ্যই। তুমি যদি এটা করতে পার, আর ঠিক মতো তোমার কিস্তি চালাও আমি তোমাকে কেন দিবনা। সে বলল, ঈদের পর চার থেকে ছয় সপ্তাহ সময় লাগবে। এর মধ্যে সে এটা করে ফেলবে।
এজন্য অবশ্য তিনটা ট্রেড লাইসেন্স লাগবে। আমি বললাম, এটা কিভাবে। আর মনে মনে বললাম, এটা যদি ম্যানেজ করতে পারি, আমি টো ঢাকা ব্যাংক থেকেই কবে লোন ম্যানেজ করে ফেলতাম, আমি একটু হতাশ হলাম। কিন্তু সে বলল, এটা সে ম্যানেজ করে দিবে। এটা তার জন্য কোন ব্যপার না। তার কথার মধ্যে আমি কনফিডেন্স দেখলাম। আমার মনে হলো সে এটা পারবে। সে বলল। ইউনিয়ন পরিষদ তঝেকে সে লোকের মাধ্যমে ব্লাংক ট্রেড লাইসেন্স নিবে, আর পরে ইচ্ছা মতো যা খুশি লিখে নিবে।
আমি সোহেল থেকে লোনের ব্যাপারে কোন আশা না দেখলেও এই আশায় কোন তর্কে বা আলোচনায় গেলাম না। বা ওকে নেতিবাচক কিছু বললাম না, যে ও যদি আমাকে তিন টা ট্রেড লাইসেন্স ও ম্যানেজ করে দিতে পারে, সেটাও অনেক হবে, আমার জন্য। আমি এটা দিয়ে অন্য অনেক ব্যাংক থেকে টাকা তুলতে পারবো। বিশেষ করে ঢাকা ব্যাংক।
এর পরে আর কী, সোহেলের সাথে উষ্ণ কথা বার্তা বললাম। প্রভার ভিডিও দেখালাম। এইতো।
আর আমার তো বিশেষ একটা মন আছেই। এখন ই সে স্বপ্ন দেখছে যে, টাকা টা সে পাবে। আর পেলে, সে টাকাটা কিভাবে খরচ করবে, সেই স্বপ্ন ও দেখা শুরু করেছে। কি ব্যবসা করলে ভালো হবে। কীভাবে কফিশপ, তারপরে অপূর্ব বা পড়াশোনা বা শেয়ার ব্যাবসায় টাকা ইনভেস্ট করবে এই সব নিয়ে নানান জটিল সব ভাবনা ভাবছে। আহারে! আমার মন!!!
5 September 2010
No comments:
Post a Comment